ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস—সেলিম ভূঁইয়া) ঝালকাঠি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির সেক্রেটারি, শিক্ষক ও সাংবাদিক নেতা এবং ঝালকাঠি জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন সংগঠন। সংগঠনগুলো হলো ঝালকাঠি সিটিজেন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অমরেশ রায় চৌধুরী, ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি এডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, বাংলাদেশ ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট জার্নালিস্ট ইউনিটির সভাপতি মোঃ আফজাল হোসেন, ঝালকাঠি বৃদ্ধ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আজাহার খান।৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রিপোর্টার্স ক্লাব, ঝালকাঠির পক্ষে সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন এক প্রতিবাদ বিবৃতিতে বলেন, ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে কতিপয় ব্যক্তি উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চুকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে আসছে।বিবৃতিতে তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চুর কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড কথিতভাবে ‘সুপার এডিটিং’ করে এর বিভিন্ন অংশ সংযোজন-বিয়োজন, কাটসাটের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও তাকে হেয়প্রতিপন্নের চেষ্টা করা হচ্ছে।এ ধরনের অপপ্রচার ও সাইবার বুলিং থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির সকল সদস্য। একই সঙ্গে অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের জানামতে উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু একজন সিনিয়র সাংবাদিক, সজ্জন, সহজ-সরল, ধর্মপ্রাণ ও উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি। তার সম্পর্কে যাচাই-বাছাই না করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কারও ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধের কারণে একজন শিক্ষক ও সাংবাদিক নেতার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।ভুক্তভোগী রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, সাংবাদিক পরিচয় ধারী সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন আমার কলরেকর্ড সুপার এডিটিং করে আমার মানহানীর উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। এই মোল্লা শাওনের সাথে আমার পূর্ব শত্রুতা রয়েছে সেজন্য সে সমস্ত অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। তিনি প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে এ ঘটনার তদন্তপূর্ব সুবিচারের আবেদন জানান