অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, যদি কোনো জেলায় ৬০টি শিক্ষক পদ শূন্য থাকে, তাহলে সেখানে ১৮০ জন প্রার্থীকে ডাকা হবে। ওই জেলার প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তালিকায় প্রথম দিকে থাকা ১৮০ জনকে ভাইভার সুযোগ দেওয়া হবে। কোটার প্রার্থীর ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
অধিদপ্তরের সূত্রমতে, লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ থেকে ১০ কর্মদিবস পর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু হতে পারে। স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ভাইভা হওয়ায় এক থেকে তিন কর্মদিবসে ভাইভা শেষ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে (সম্ভাব্য ৭ ফেব্রুয়ারি) অর্থাৎ, নির্বাচনের আগেই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
এদিকে, নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াত চক্র সক্রিয় থাকলেও পরীক্ষা সুষ্ঠু হয়েছে। এ পরীক্ষা বাতিলের দাবি অযৌক্তিক বলেও মনে করে অধিদপ্তর। শনিবার অনুষ্ঠিত শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির সভায় এ বিষয়ে সব কর্মকর্তা একমত হয়েছেন।