1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার জেল-জুলুম ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন মানিকগঞ্জ ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রত্যাশী সিরাজুল ইসলাম (সেন্টু) পিরোজপুরে কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে পূবালী ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৩৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ৪ মানিকগঞ্জে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বরগুনার তালতলীতে বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ফাটল, ঝুঁকিতে ১৫ গ্রামের মানুষ কালিয়াকৈরে পাগলা কুকুরের তাণ্ডবইকোনীটস লিমিটেডের কর্মীসহ আহত ১২,এলাকাবাসীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি ডিইউজের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে সমবায় পুনর্গঠনের দাবি বাঘাইছড়িতে আশ্রয়নের সরকারি ঘর বিক্রি ,নকশা পরিবর্তন করে জমি দখলের অভিযোগ চিফ হুইপের সঙ্গে বিডিজেএ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার জেল-জুলুম ও দাদন ব্যবসার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

রংপুর প্রতিনিধি:রংপুরের মিঠাপুকুরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেলিম সরকার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি বালুয়া বাজারে ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি অনিবন্ধিত ভূয়া এনজিও খুলে বসেন। এর মাধ্যমে তিনি সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম ব্ল্যাঙ্ক চেক এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প নিতেন। পরবর্তীতে তিনি ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করার পরও চড়া সুদ দাবি করতেন এবং চেক-স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে আদালতে মিথ্যা মামলা দিতেন।রাজু আহম্মেদ নামে এক ভুক্তভোগী জানান, তিনি ১ লাখ ৫০০০০ ঋণ নিয়ে সঞ্চয়সহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা শোধ করেছেন। কিন্তু সেলিম চৌধুরী তার স্বাক্ষর করা চেকে ইচ্ছামতো অংক বসিয়ে আদালতে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা দায়ের করেন।আরেক ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দোকান পুড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দৈনিক কিস্তিতপ ঋণ নিয়েছিলেন। ৭৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট টাকার জন্য তার নামে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সেলিম সরকারের ইন্ধনে বর্তমানে তারা একাধিক মিথ্যা মামলার ঘানি টানছেন এবং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, আমি তাদের টাকা হাওলাত দিয়েছি। তবে এনজিও খুলে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...